সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) বাস্তবায়ন। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তখনকার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন’ করার কাজে হাত দেন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। বিষয়টি সর্বমহলে প্রশংসিত হলেও এতদিন ‘হচ্ছে আর হবে’-এর মধ্যে ঝুলে ছিল। মুহিত আজ বেঁেচ না থাকলেও তার কর্মসূচি বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
এ কর্মসূচি শুরুতে ঐচ্ছিক হলেও পাঁচ বছর পর থেকে তা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই সারা দেশে একযোগে ‘সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা’ চালু করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নির্দেশ দেন। প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি জেলায় এবং কয়েকটি দেশের প্রবাসীদের জন্য চালু করা হতে পারে।
গত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। শুরুতে কয়টা স্কিম থাকবে এবং কোন এলাকার মানুষ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে, তা নিয়ে একেবারে শেষ সময়েও কাজ চলছে।
সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা চালু হলে এর সুফল পাবেন সাধারণ মানুষ। চাঁদাদাতাদের স্মার্ট কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।’
সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা কী
কোনো ব্যক্তিকে মাসিক পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর নিয়মিত কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দিতে হবে। ১৮ বছর থেকে শুরু হবে, ৬০ বছর বয়সে গিয়ে চাঁদা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ৬০ থেকে তিনি যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন পেনশন সুবিধা পাবেন। তবে ৫০ বছর পার হওয়ার পর কেউ চাঁদা দেওয়া শুরু করলে ১০ বছর পার হওয়ার পর তিনি পেনশন পাবেন।
গত ২৪ জানুয়ারি সংসদে ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন-২০২৩’ পাস হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠনের আদেশ জারি করা হয়।
কারা অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন
দেশের ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকের জন্য ছয় ধরনের স্কিম নিয়ে সর্বজনীন পেনশন আইনের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। স্কিমগুলো হলো, বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক চাকরিজীবী পেনশনার, প্রবাসী/অনিবাসী পেনশনার, শ্রমিক শ্রেণি, অপ্রাতিষ্ঠানিক জনগোষ্ঠী, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিভুক্ত জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার্থী। প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় আপাতত চার শ্রেণির জনগোষ্ঠীর জন্য চার ধরনের পেনশন কর্মসূচি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ চার শ্রেণি হলো প্রবাসী বাংলাদেশি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, স্বকর্মে নিয়োজিত ও অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
তাদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চারটি স্কিম বা কর্মসূচিতে ভাগ করা হয়েছে পুরো পেনশনব্যবস্থা। এ চারটি স্কিম হলো প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাস’, বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘প্রগতি’, স্বকর্মে যারা নিয়োজিত আছে যেমনÑ কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি তাদের জন্য সুরক্ষা। আর হতদরিদ্র মানুষের জন্য আছে ‘সমতা’।
সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত হবেন না। এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্ভুক্ত নাগরিকদের এ ব্যবস্থায় রাখা হবে না। তবে সর্বজনীন নিরাপত্তা বলয়ের সুবিধাভোগী কেউ তার এসব সুবিধা সমর্পণ করে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
বয়স সীমা
আইন অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্রকে ভিত্তি ধরে সর্বজনীন পেনশনে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়স থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশি নাগরিক অংশ নিতে পারবেন। বিশেষ বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও পেনশন স্কিমের আওতায় রাখার ব্যবস্থা থাকবে। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাঁদা দিয়ে যেতে হবে। তার জমা টাকা মুনাফাসহ মাসিক পেনশন হিসেবে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ শতাংশ।
৫০ বছরের বেশি বয়সীরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। তারা কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার পর পেনশন সুবিধা পাবেন।
যেভাবে নিবন্ধন
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হতে জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, নিবন্ধিত মোবাইল ফোন নাম্বার দিয়ে নিবন্ধন নিতে হবে। ঘরে বসে সবাই যাতে নিবন্ধন করতে পারেন, সেজন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রবাসীরা বিদেশ থেকে অ্যাপ ব্যবহার করে নিবন্ধন নিতে পারবেন। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়েও নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে প্রত্যেকে একটি ১৮ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার পাবেন। কর্তৃপক্ষ এ নাম্বারে হালনাগাদ তথ্য পাঠাবে।
যেভাবে দেওয়া যাবে চাঁদা
প্রতিটি স্কিম হবে স্বতন্ত্র। সব স্কিমে একটি নূ্যূনতম চাঁদার হার নির্ধারিত থাকবে। এ ছাড়া থাকছে আরও দুটি হার। কেউ চাইলে তিনটি যেকোনো একটি চাঁদার হার গ্রহণ করতে পারবে। কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত তহবিলে যার যত বেশি চাঁদা জমা পড়বে, তার আর্থিক সুবিধা পাওয়ার হারও তত বেশি হবে। স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও চাঁদার হার এবং স্কিম পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। সব স্কিমের জন্য গ্রাহকরা মাসিক, ত্রৈমাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদার কিস্তি পরিশোধ করতে পারবে। চাঁদাদাতা মাসের নাম উল্লেখ করে পেনশন তহবিলে অগ্রিম চাঁদা জমা দিতে পারবেন। বার্ষিক ন্যূনতম চাঁদা দিতে না পারলে স্কিম স্থগিত হবে। পরে বিলম্ব ফিসহ নিয়মিত চাঁদা দিয়ে চালু করতে হবে।
সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলবে। যেসব প্রবাসী বাংলাদেশির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তারা বৈধ পাসপোর্ট দিয়ে ব্যাংকিং চ্যানেল, অনুমোদিত মোবাইল আর্থিক পরিষেবা এবং এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় চাঁদা দিয়ে যোগদান করতে পারবেন। আর দেশে বসবাসকারীরা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে কিংবা বিকাশ, নগদসহ যেকোনো মোবাইল আর্থিক পরিষেবার মাধ্যমেও চাঁদা দিতে পারবে।
থাকবে নমিনি
পেনশন পাওয়া অবস্থায় কেউ মারা গেলে তিনি যাকে নমিনি করবেন, তিনি ওই ব্যক্তির ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন পাবেন। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, কোনো পেনশনভোগী ব্যক্তি যদি ৬৫ বছর বয়সে মারা যান, তাহলে তার নমিনি আরও ১০ বছর পেনশন সুবিধা পাবেন। পেনশনধারী জীবিত থাকলে মৃত্যুর আগপর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন।
আবার কেউ যদি চাঁদা দেওয়াকালীন মারা যান, কিন্তু তার বয়স ৬০ বছর হয়নি, তাহলে ওই ব্যক্তির নমিনি জমা করা টাকা এবং এককালীন সুবিধা পাবেন। পেনশন পাবেন না। যেমন কোনো ব্যক্তির বয়স ২০ বছর হলো এবং এ পেনশনের জন্য চাঁদা দিচ্ছিলেন, তিনি যদি ৩০ বছর বয়সে মারা যান, তাহলে তার নমিনি ওই ব্যক্তির জমা করা টাকা এবং এককালীন সুবিধা পাবেন।
চার স্কিমের চাঁদা ও সুবিধা
প্রবাস স্কিমে মাসিক ন্যূনতম চাঁদা ৫ হাজার, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা। বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক বৈদেশিক মুদ্রায় চাঁদা দিয়ে এ স্কিমে যোগ দিতে পারবেন। দেশে ফিরলে তারা দেশীয় মুদ্রায় চাঁদা পরিশোধ করতে পারবেন অথবা স্কিম পরিবর্তন করতে পারবেন। পেনশন স্কিমের মেয়াদ শেষে সরকার স্থানীয় মুদ্রায় পেনশন দেওয়া হবে।
‘প্রগতি’ স্কিমে বেসরকারি কর্মচারীরা মাসিক ২ হাজার, ৩ হাজার ও ৫ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে প্রগতি স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন। কোনো বেসরকারি কোম্পানির এ স্কিমে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে চাঁদার ৫০ শতাংশ কর্মীরা এবং বাকি ৫০ শতাংশ কোম্পানি পরিশোধ করবে।
‘সুরক্ষা’ স্কিমে অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। এ স্কিমে মাসিক চাঁদার পরিমাণ ন্যূনতম ১ হাজার, সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা।
অতিদরিদ্রদের জন্য ‘সমতা’ স্কিমে চাঁদার পরিমাণ মাসে ১ হাজার টাকা। এর মধ্যে চাঁদাদাতা প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেবেন। বাকি ৫০০ টাকা সরকার পরিশোধ করবে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী অতি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী ব্যক্তিরা এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
এ স্কিমের আওতায় ১৮ বছর বয়সে অন্তর্ভুক্ত হয়ে মাসে ৫০০ টাকা চাঁদা দিলে ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৩৪ হাজার ৪৬৫ টাকা পেনশন পাওয়া যাবে। আর ৫০ বা তদূর্ধ্ব বয়সীরা অন্তত ১০ বছর ধরে মাসে ৫০০ টাকা চাঁদা দিয়ে, ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ১ হাজার ৫৩০ টাকা করে পেনশন পাবেন।
চাঁদার ৫০ শতাংশ ঋণ নেওয়া যাবে
জমাকৃত অর্থ একবারে উত্তোলন করা যাবে না। তবে চাঁদাদাতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জমা করা অর্থের ৫০ শতাংশ ঋণ নিতে পারবেন। পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করে কর রেয়াত পাওয়া যাবে এবং মাসিক পেনশন বাবদ পাওয়া অর্থ করমুক্ত থাকবে।
শুরুতে কোন এলাকায়
উদ্বোধনের দিন কিছু গ্রাহক অনলাইনে পেনশন কর্মসূচিতে চাঁদা দিয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। পাবনা, গোপালগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, বরগুনা, সিলেট, বাগেরহাট, রংপুর ও ময়মনসিংহ থেকে তালিকা চেয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। ১২ আগস্টের মধ্যে এ তালিকা দিতে বলা হয়েছে। আগ্রহী প্রবাসীদের তালিকা চেয়ে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারা দেশে চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে। প্রস্তুতি চলছে। এখনো সময় আছে আরও কয়েক দিন। প্রস্তুতি শেষ না হলে প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু এলাকায় এ সুযোগ থাকবে। পরে বাড়ানো হবে।
এ কর্মসূচির বিষয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘উদ্যোগটি ভালো। তবে সরকার প্রস্তুতি শেষ না করে শুরু করতে চাচ্ছে। নির্বাচনের আগে সরকার জনপ্রিয়তা বাড়াতে বেশি তাড়াহুড়া করে ফেলছে। এতে সরকার ও জনগণ উভয়ের স্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে।’
চীনে তিন ধরনের পেনশনব্যবস্থা চালু রয়েছে। শহরে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য আরবান পেনশন সিস্টেম (ইউপিএস), সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সিভিল ও পাবলিক সার্ভিস পেনশন সিস্টেম (সিপিএসপিএস) এবং গ্রামে বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য রুরাল পেনশন সিস্টেম (আরপিএস) চালু আছে। যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয়, পেশাগত, ব্যক্তিগত ও আনফান্ডেড এ চার ধরনের পেনশনব্যবস্থা আছে। যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সামাজিক নিরাপত্তা, চাকরিভিত্তিক, আনফান্ডেড এবং ব্যক্তিগত পেনশন। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বাজেট থেকে সবাইকে পেনশন দেওয়া হয়। জাপান, হংকং, কোরিয়া ও তাইওয়ানের পরিস্থিতিও উন্নত দেশগুলোর মতোই। থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম পেনশন সংস্কার করছে। ফিলিপাইন, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়াও অংশগ্রহণমূলক পেনশনব্যবস্থা শুরু করেছে।